মোবাইল সার্ভিসিং দেওয়ার আগে করণীয়

মোবাইল নষ্ট হলে অনেকসময় নিজেদের পক্ষে ঠিক করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সেজন্য আমাদের মোবাইল ফোন মেরামত করতে বাহিরে দিতে হয়। সাধারণত আমরা দুই জায়গা থেকে আমাদের নষ্ট হয়ে যাওয়া মোবাইল রিপেয়ার করে থাকি। মোবাইল সার্ভিসিং এর জন্য হয় আমরা কাস্টমার কেয়ারে নিয়ে যাই নয়তো মোবাইল মেকানিকের দোকানে৷ কিন্তু ফোন রিপেয়ার করতে দেওয়ার আগে অবশ্যই আমাদের কিছু করণীয় মাথায় রাখতে হবে। তাই আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো মোবাইল সার্ভিসিং করতে দেওয়ার আগে আমাদের করণীয় সমূহ সম্পর্কে

মোবাইল সার্ভিসিং দেওয়ার আগে করণীয়

আজকের ব্লগে আমি আলোচনা করবো মোবাইল সার্ভিসিং অর্থাৎ মোবাইল মেরামত করতে দেওয়ার পূর্বে আমাদের করণীয় সমূহ। আশা করছি আর্টিকেলটি আপনাদের অনেক ভালো লাগবে এবং আপনারা উপকৃত হবেন। 

বন্ধুরা আমাদের মোবাইল নষ্ট হলে অনেকসময় নিজেদের পক্ষে ঠিক করা সম্ভব হয়ে উঠে না। সেজন্য আমাদের মোবাইল ফোন মেরামত করতে বাহিরে দিতে হয়। সাধারণত আমরা দুই জায়গা থেকে আমাদের নষ্ট হয়ে যাওয়া মোবাইল রিপেয়ার করে থাকি। মোবাইল সার্ভিসিং এর জন্য হয় আমরা কাস্টমার কেয়ারে নিয়ে যাই নয়তো মোবাইল মেকানিকের দোকানে৷ কিন্তু ফোন রিপেয়ার করতে দেওয়ার আগে অবশ্যই আমাদের কিছু করণীয় মাথায় রাখতে হবে। তাই আজকের পোস্টে আমি আলোচনা করবো মোবাইল সার্ভিসিং করতে দেওয়ার আগে আমাদের করণীয় সমূহ সম্পর্কে। 





                Table Of Contents


1. মোবাইল সার্ভিসিং করতে দেওয়ার আগে করণীয়।

 

    1.1.১/ কাস্টার কেয়ার vs মেকানিক


    1.2.২/ মেমোরি ও সিম কার্ড খুলে নেওয়া


    1.3.৩/ ফোন মেমোরি ব্যাকআপ করে ফরমেট


    1.4.৪/ ফেসবুক লগ আউট করে নেওয়া


    1.5.৫/ নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল রিপেয়ারিং 

               করানো।


    1.6.৬/ শেষ কথা





মোবাইল সার্ভিসিং করতে দেওয়ার আগে করণীয়-

Mobile Servicing বা মেরামত করতে দেওয়ার আগে আমাদের যেসব দিক খেয়াল রাখতে হবে অর্থাৎ আমাদের করণীয় সমূহ নিচে ধাপে ধাপে সংক্ষিপ্ত আকারে আলোচনা করা হলো। আপনার প্রাইভেসি এবং নিরাপত্তার জন্য এটি খুব গুরুত্বপূর্ণ। 

 

 1.1. কাস্টার কেয়ার vs মেকানিক

আপনার মোবাইল ফোনটির যদি ওয়ারেন্টি থাকে তবে যা কিছু নষ্ট হোক না কেন আপনাকে প্রথমে কাস্টমার কেয়ারে নিয়ে যেতে হবে সেটি ঠিক করানোর জন্য। আর যদি ওয়ারেন্টি ডেইট শেষ হয়ে যায় তবে সেটি ঠিক করানোর জন্য ভালো কোনো মেকানিকের কাছে যাবেন। আপনার ফোনে কেন সমস্যাটি হয়েছে সেটি Customer Care দক্ষ কর্মীরা খুব ভালো বুঝবে এবং তারা খুব তাড়াতাড়ি সারিয়ে তুলতে পারবে। আর যদি সে উপায় না থাকে তবে কোনো ভালো মেকানিকের কাছে নিয়ে গিয়ে সেটি ঠিক করে নিবেন। 

 1.2. মেমোরি ও সিম কার্ড খুলে নেওয়া

আপনার মেমোরি কার্ড হলো একটি পার্সোনাল জিনিস। মেমোরি কার্ডে অনেক গুরুত্বপূর্ণ এবং ব্যক্তিগত ডকুমেন্টস থাকতে পারে। যখন মোবাইল রিপেয়ারিং করাতে অনেক দিন লাগবে একথা জানবেন তখন মেমোরি কার্ডটি খুলে নিবেন। অন্যথা মেমোরি কার্ড হারিয়ে যাওয়ার চেয়েও আপনার মেমোরি কার্ডে থাকে ডকুমেন্টস এবং পার্সোনাল ছবি চুরি হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তাই সিকিউরিটি প্রাইভেসির জন্য খুলে নেওয়া উত্তম। আর বর্তমানে নিজের সিম কার্ড অন্যের কাছে দেওয়া মানে নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনা। এর জন্য আপনাকে অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হবে। তাই এই ভুলগুলো কখনোই করআেন না।

 1.3. ফোন মেমোরি ব্যাকআপ করে ফরমেট

আপনার মোবাইল ফোনটি যদি সার্ভিসিং করানোর জন্য সময় চায়। অর্থাৎ কাস্টমার কেয়ার বা মেকানিকের কাছে রেখে আসতে হয় সেক্ষেত্রে অবশ্যই আপনি মেমোরির ব্যাকআপ নিবেন। নয়তো আপনাকে ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য হয়রানি হতে হবে।

 1.4. ফেসবুক লগ আউট করে নেওয়া

এমন মানুষ খুব কম রয়েছে যারা স্মার্ট ফোন ইউজ করে কিন্তু ফেসবুক কিংবা অন্য কোনো সোশ্যাল মিডিয়া ইউজ করে না। দিনের যেকোনো সময় মেসেঞ্জারে বন্ধুদের সাথে চ্যাটিং, ফটো শেয়ারিং এবং বিভিন্ন ধরনের আলাপ আলোচনা হয়। চিন্তা করুন এমন সময় যদি কোনো অসৎ ব্যক্তির হাতে ফোনটি যায় তাহলে কী অবস্থা হতে পারে? এমন ঘটনা অনেক সময় ঘটে থাকে যে কেউ মোবাইল ফোন মেরামত করতে দিয়েছে আর মেকানিকার তার সকল ব্যক্তিগত তথ্য হাতিয়ে নিয়েছে।

বর্তমান সময়ে আপনার ফেসবুক আইডি অন্য কারো হাতে চলে যাওয়া মানে অনেক খারাপ কিছু হওয়া। তাই এসব বিষয়ে সাবধান হোন এবং ফোন সার্ভিসিং করতে দেওয়ার আগে অবশ্যই ফেসবুক লগ আউট করে নিন।

 1.5. নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল Repairing করানো।

মোবাইল ফোন মেরামত করতে দিলে দেখা যায় অনেক সময় মেকানিকার মোবাইল ফোনের ভালো জিনিসপত্র খুলে রেখে খারাপ বা ডুপ্লিকেট জিনিসপত্র লাগিয়ে দেয়। তাই যখন মোবাইল ফোন সার্ভিসিং করতে দিবেন তখন সম্ভব হলে নিজে দাঁড়িয়ে থেকে মোবাইল ফোন মেরামত করে নিবেন।

অনেকসময় এও দেখা যায় মোবাইলের পার্টস পাওয়া যাচ্ছে না বা নির্দিষ্ট সময় নেই বলে দুদিন পর আসতে বলে তবে অবশ্যই আপনি উপরের কথাগুলো মেনে চলবেন। তাহলে খুব বেশি বিপদের আশঙ্কা নেই। আর সম্ভব হলে অবশ্যই নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ফোন সার্ভিসিং করিয়ে নিবেন।



 1.6. শেষ কথা

আপনারা অনেকেই হয়তো ভাবছেন একটা সামান্য মোবাইল ফোন ঠিক করতে দিবো তার জন্য এত কী? যদি আপনার ধারণা এমন হয়ে থাকে তবে সেটি একান্তই আপনার নিজস্ব মতামত। তবে একটি কথা সবসময় মাথায় রাখবেন। আপনার স্মার্ট ফোন খুব গুরুত্বপূর্ণ একটি জিনিস। যদি কোনো অসাধু ব্যক্তির হাতে ফোনটি পড়ে তবে আপনি খুব বাজে সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন এবং এর জন্য আপনাকে অনেক হয়রানির স্বীকার হতে হবে। বিশেষ করে মেয়েদের মোবাইল ফোন রিপেয়ার করানোর আগে এই বিষয়গুলো অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে। কারণ মেকানিকার চাইলেই কিন্তু মেয়েদের মোবাইল থেকে তাদের পার্সোনাল ছবি এবং তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে। এবং পরবর্তী সময়ে তাকে বিভিন্ন ভাবে হেনস্তা করতে পারে। তাই সময় থাকতে সচেতন হয়ে যাওয়াটাই একজন বুদ্ধিমানের কাজ।

ফেসবুক, গুগল, মেসেঞ্জার, টুইটার, ইনস্টাগ্রাম সহ আরও কত গুরুত্বপূর্ণ জিনিস বিদ্যমান থাকে আমাদের স্মার্ট ফোনে। যেগুলো খুব কেয়ারফুলি রাখা আছে। সেগুলো যদি কোনো অসৎ ব্যক্তির হাতে পড়ে তাহলে মারাত্মক ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তাই ব্যক্তিগত সকল তথ্য হাইজেক হওয়ার আগেই আমাদের সচেতন হতে হবে।



বন্ধুরা আর্টিকেলটি এই পর্যন্ত। আশা করছি এটি আপনাদের উপকারে আসবে। আজকের টপিকটি আপনাদের কেমন লেগেছে আমাদের কমেন্ট বক্সে জানাবেন। এমন গুরুত্বপূর্ণ আর্টিকেল পেতে চাইলে bdbanglarnews.com ওয়েবসাইটটি ভিজিট করবেন। এতক্ষণ আমার সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ।