Share Market কি ? Share Market সম্পর্কে জানুন | What is Share Market in Bengali?

Share Market আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে সেই বিষয়ে অনেকেরই ধারণা অস্পষ্ট। শেয়ার বাজারে দরপত্তন এত জরুরী কেন? কিভাবে শেয়ার মার্কেট হতে আয় করা সম্ভব? এছাড়া মার্কেট ক্র্যাশ হলে কেন শেয়ার হোল্ডাররা ক্ষতিগ্রস্ত হোন? এই বিষয়গুলো আজকে পরিষ্কার করে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। তার মানে পোস্টটির মাধ্যমে আপনারা শেয়ার মার্কেট সম্বন্ধে বেসিক ধারণা পাবেন।

Share Market কি ? Share Market সম্পর্কে জানুন | What is Share Market in Bengali?

Share Market আসলে কি এবং কিভাবে কাজ করে সেই বিষয়ে অনেকেরই ধারণা অস্পষ্ট। শেয়ার বাজারে দরপত্তন এত জরুরী কেন? কিভাবে শেয়ার মার্কেট হতে আয় করা সম্ভব? এছাড়া মার্কেট ক্র্যাশ হলে কেন শেয়ার হোল্ডাররা ক্ষতিগ্রস্ত হোন? এই বিষয়গুলো আজকে পরিষ্কার করে আলোচনা করার চেষ্টা করবো। তার মানে পোস্টটির মাধ্যমে আপনারা শেয়ার মার্কেট সম্বন্ধে বেসিক ধারণা পাবেন।

 

 

Share Market সম্পর্কে ধারণাঃ

শুরুতেই বলে রাখি, মাধ্যমিক পর্যায়ে বাণিজ্যিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের প্রথম শেয়ার মার্কেট সম্বন্ধে ধারণা দেয়া হয়। এছাড়া অনেক পত্রিকাতেই শেয়ার বাজারের জন্যে একটি পৃষ্ঠা বা পুরো একটি পাতাই বরাদ্দ থাকে। সেখানে নিয়মিত নজর দিতে হয় শেয়ারবাজারে ইনভেস্ট করা বা রানিং পজিশন জানতে হলে। Share Market এর মাধ্যমে আপনি দেশে বসেই বিদেশি বড় বড় কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে পারেন। তাদের শেয়ার কিনতে পারেন। এমনকি দেশীয় ছোট ছোট কোম্পানি বা সংস্থারও শেয়ার বেচা- কেনা হয়।

 

আজকে আলোচনা করবো মূলত শেয়ার বাজারে কারবার শুরু করার আগে যে প্রাথমিক বিষয়গুলো আপনাকে জানতে হবে এবং বেশ ভালো ধারণা রাখতে হবে সেগুলো ঠিক কি কি।

 

 পড়ুনঃ

আপনার NID card দিয়ে কয়টি সিম রেজিস্ট্রেশন হয়েছে চেক করুন সহজেই | নিবন্ধিত সিমের তালিকা ২০২২

কিভাবে ওয়েবসাইট গুগলে Fast Rank করব? How to Rank my website #1 in Google Tips 2022

Share Market এ কিভাবে Invest করবো?

 

জীবনে চলতে গেলে টাকার প্রয়োজন আছে। শখ, আহ্লাদ মেটানো, স্বপ্ন পূরণ করা এমনকি একটি ভালো লাইফস্টাইলের জন্যেও টাকার প্রয়োজন অনস্বীকার্য।তাই মানুষের অন্যতম প্রধান লক্ষ্যই থাকে কিভাবে টাকার পরিমাণ বাড়ানো যায়। এক একজন এক এক পন্থায় টাকা উপার্জন করে বা করছে। যেমন- কেউ চাকরি করছে। কেউ ব্যবসা করছে। কেউ বিনিয়োগ করছে।

এই বিনিয়োগের মাধ্যমে অনেকে ধনী হচ্ছেন। শেয়ার মার্কেট হলো শেয়ার কেনা- বেচা আর বিনিয়োগের অন্যতম মাধ্যম। যারা খুব অল্প সময়ে টাকার পরিমাণ বাড়িয়ে নিতে চান তারা Share Market Investment Policy নিতে পারেন। এইক্ষেত্রে আপনি কম টাকা ইনভেস্ট করেও লাভবান হতে পারবেন।

 

আপনার কষ্টের টাকা সঞ্চয় করলে আর কত বাড়বে?ব্যাংকে বছরে কিছু পারসেনটেজ লাভের চেয়ে কেন দৈনিক বা মাসিক পারসেনটেজের দিকে নজর দিচ্ছেন না? আপনি যদি আর্নিং মেম্বার হোন, তাহলে আয়ের আরেকটি উৎস বাড়লো আপনার শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগের মাধ্যমে। আপনার মাসিক আয় ছাড়াও শেয়ার মার্কেট থেকেও আপনি বাড়তি লাভ করতে পারবেন। সেই উপার্জন অন্য কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

শেয়ার বাজার আসলে এমন একটি মাধ্যম যেখানে আপনি ঠিকঠাক বিনিয়োগ করলে অনেক বেশি পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতে পারবেন। আবার অন্যদিকে ভুল বিনিয়োগ করলে লোকসানের মুখে পড়বেন। আর দালালের পাল্লায় পড়ে না বুঝে যে কোনো কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলে ঠকবেন।

 

 

কিন্তু আমরা অনেকেই জানি না শেয়ার মার্কেট আসলে কি এবং কিভাবে বিনিয়োগ করতে হয়। যদিও অনেকেই শেয়ার মার্কেটের মাধ্যমে লক্ষ লক্ষ টাকা উপার্জন করছেন। কিন্তু কিভাবে টাকা আসছে সেই সম্পর্কে ধারণা নেই। এখন শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে হলে আপনাকে ইংরেজি জানতে হবে এমন কোনো কথা নেই। আপনি এই আর্টিকেলের মাধ্যমে শেয়ার বাজার বা স্টক মার্কেটের প্রয়োজনীয় বিষয়গুলি বাংলাতেই জেনে নিতে পারবেন। তাছাড়া সবসময় বিনিয়োগের পূর্বে সতর্ক থাকবেন। এই আর্টিকেলে কিছু মৌলিক সতর্কবার্তাও উল্লেখ করা হলো।

 

   

   

 

শেয়ার মার্কেট এ শেয়ার কেনা বেচা:

  

একবাক্যে বলতে গেলে শেয়ার মার্কেট আসলে বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার নিয়েই কারবার করে। এটা এমন একটা মাধ্যম যেখানে আপনি অন্য কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারেন। আবার শেয়ার ইতিমধ্যে কেনা থাকলে সেগুলো বিক্রিও করতে পারেন। এমনকি নিজের কোম্পানির শেয়ারও শেয়ার মার্কেটের ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন। এতে যা আয় হবে তা কোম্পানিতে ইনভেস্ট করবেন। তখন লভ্যাংশ আপনার কোম্পানির শেয়ার হোল্ডারও পাবেন।

 

শেয়ার মার্কেটে অনেক বড় বড় কোম্পানিও নিজেদের শেয়ার বিক্রি করে বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। আপনি ধরুন কোনো শেয়ার কিনবেন তখন কোম্পানির নির্ধারিত ওয়েবসাইট, পত্রিকা বা শেয়ার মার্কেটের ওয়েবসাইট থেকে কোন শেয়ার বিক্রি হচ্ছে এবং দর কত সেই বিষয়গুলো জানতে পারবেন। একটি উদাহরণ দিয়ে বিষয়টি ব্যখ্যা করি।

 

উদাহরণ:

মনে করুন, বিখ্যাত জুতার ব্র্যান্ড বাটা কোম্পানি তাদের শেয়ার বিক্রি করবে। আপনি ১০০০০ টাকার শেয়ার কিনলেন। তার মানে আপনি ঐ কোম্পানির ছোট একটি অংশের অংশীদার হয়ে গেলেন। এরপর ধরুন আপনার শেয়ারের দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে গেলো। তখন আপনি সেই শেয়ার বিক্রি করলে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। কিন্তু আপনি ঠিক করলেন -নাহ। আরও দাম বাড়ুক। কারণ শেয়ার মার্কেটে দর উঠা- নামা করতেই থাকে। তখন আপনি চাইলে অপেক্ষা করতে পারেন।

 

শেয়ার বাজারে আসলে লাভ- লস দুটোই হতে পারে। তাই স্টক মার্কেটে ইনভেস্ট করার আগে এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে। শেয়ার মার্কেট কিভাবে কাজ করে সেটা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন। এবার জেনে নেয়া যাক কখন আসলে শেয়ার কিনবো বা কেনাটা উচিত হবে?

 

   পড়ুন স্বাস্থ্য সম্পর্কিত পোস্টঃ

কোমর ও পিঠের ব্যথা দূর করার সহজ উপায় । কোমর - পিঠ ব্যথায় করণীয় কি ?

ওজন কমাতে কোন ধরনের ফল খাবেন । কোন ফল ওজন কমাতে সাহায্য করে ?

শেয়ার মার্কেট থেকে শেয়ার কখন কিনব ?

 

শেয়ার মার্কেট আসলে চলে লেনদেনের উপর। এটারও সিজন রয়েছে। যেমন- করোনার সময় পুরো বিশ্বের শেয়ার মার্কেটই লোকসানের মুখে পড়েছে। তাছাড়া বাজেট ঘোষণার আগে শেয়ারের দর পড়ে এবং বাজেট ঘোষণার পরপরই তার দাম বেড়ে যায়। আবার পণ্যের বেচা- বিক্রির উপরেও শেয়ারের দাম নির্ভর করে। যেমন- আপনি ধরুন বাটা কোম্পানির শেয়ার কিনেছিলেন। ইদ বা অন্যান্য উৎসবের সময় পণ্যের বিক্রি বেশি হলে কোম্পানির শেয়ারেরও মূল্য বাড়বে। করোনার সময় শেয়ার মার্কেটের দর পড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ হলো পণ্যের বিক্রি না থাকা এবং শপিং মার্কেটগুলো বন্ধ ছিলো।

 

স্টক মার্কেটে কাজ করতে করতেই আপনি অনেক কিছু জেনে এবং শিখে যাবেন। আবার অভিজ্ঞ কারোর পরামর্শ নিতে পারেন। তবে ভালো করে জেনে এবং খোঁজ করে তারপর শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করা উত্তম। শেয়ার বাজার সম্পর্কে আগ্রহ থাকলে নিয়মিত খবর, ব্যবসা সম্পর্কিত ওয়েবসাইট আর পত্রিকায় চোখ রাখতে হবে। আপনাকে জানতে হবে কোন কোম্পানির শেয়ারের দর উঠা- নামা করছে। কোন কোম্পানিগুলো লসে চলছে আর কোনগুলো বন্ধ হওয়ার পথে। চেষ্টা করবেন বাজেট ঘোষণা, সিজন, লাভ- ক্ষতি বিষয়গুলো মাথায় রাখতে।

 

 

শেয়ার বাজারের লস

 

যারা অনেকদিন ধরে শেয়ারবাজারের সাথে যুক্ত আছেন তারা জানেন যে, স্টক মার্কেটে লাভ আর লোকসান পাশাপাশি চলে। ঘন্টায় ঘন্টায় দর উঠা- নামা করে। এখন লস হয়ে যাওয়া টাকা কখনোই আপনি আরও বেশি টাকা বিনিয়োগ করে তুলতে চাইবেন না। সেইক্ষেত্রে ঠকে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি থাকে।

 

শেয়ার মার্কেট জেনে ভালো করে গবেষণাকরে তারপর ইনভেস্ট করবেন। আমি সাজেস্ট করবো আগে এই সংক্রানত পড়াশোনা করে তারপর ব্যবসায় নামবেন। তাহলে আপনার শেয়ার মার্কেটের নিয়ম- কানুন, আইন সব জানতে পারবেন। তখন আপনাকে বোকা বানানো সহজ হবে না। এই কথা কেন বলছি? কারণ শেয়ার বাজারে অনেক ফ্রড চলে এসেছে। ছোট ছোট বেনামি কোম্পানি খুলে অনুমোদন ছাড়াই শেয়ার মার্কেটে ছাড়ে আর বিনিয়োগকারীদের টাকা নিয়ে উধাও হয়ে যায়। তখন আপনি কিছুই পাবেন না। অন্যদিকে আপনার মূলধনও যাবে বেহাতে।

 

শেয়ার সংক্রান্ত অ্যাপ:

 

এছাড়া অনেক ওপেন শেয়ার মার্কেট অ্যাপ রয়েছে। সেগুলো ব্যবহার করে আপনি অ্যাকাউন্ট খুলে শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। সেইসাথে কাজের অভিজ্ঞতাও হবে। তবে কর্তৃপক্ষ যে অ্যামাউন্ট আপনাকে দেবে সেটা আপনি তুলতে পারবেন না।কেবল কাজ শেখার জন্যেই ব্যবহার করতে পারবেন।নতুন নতুন গ্রাহক আর ইউজার আনার জন্য অ্যাপগুলোর মালিকেরা এই ধরণের পদক্ষেপ নিয়ে থাকে।

 

শেয়ার মার্কেট থেকে শেয়ার কেনার আগে কিছু বিষয় বিবেচনায় আনতে হবে।

১. কোম্পানির ব্যাকগ্রাউন্ড কেমন।

২. কোম্পানি কত বছর ধরে চলছে এবং বিগত বছরের সেলস রিপোর্ট কেমন।

৩. লাইসেন্স বা অনুমোদন আছে কিনা।

৪. কাগজপত্র সব ঠিক আছে কিনা।

৫. পূর্বে কোনো শেয়ার ডিফল্টের রেকর্ড আছে কিনা।

৬. ইউজারদের রিভিউ কেমন ইত্যাদি।

নোট: লক্ষ্য রাখবেন আপনার বিনিয়োগকৃত কোম্পানি বা সংস্থা কোনো বেআইনি কাজের সাথে জড়িত কিনা। কারণ কোম্পানির শেয়ার হোল্ডার হিসেবে মামলায় আপনিও ফেঁসে যেতে পারেন।

 

   

 

 শেয়ার মার্কেটে টাকা কিভাবে লাগাবো ?

 

 শেয়ার মার্কেট থেকে শেয়ার কিনতে গেলে আপনার একটি Demat Account থাকতে হবে। সেই অ্যাকাউন্টেই আপনার মূল টাকা জমা থাকবে যেটা দিয়ে আপনি শেয়ার কিনবেন। এখন আপনার Demat Account মূল ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সাথে যুক্ত থাকে। আপনি চাইলে যে কোনো সময় ঐ অ্যাকাউন্ট থেকে মেইন অ্যাকাউন্টে ট্রান্সফার করতে পারবেন। আপনার সমস্ত লাভ- লোকসান ঐ Demat  Account এ জমা থাকবে। ওটা কোনো সেভিংস অ্যাকাউন্ট নয়। আপনি কেবলমাত্র শেয়ার মার্কেটের কাজেই এই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করতে পারবেন।

 

Demat Account কি? কিভাবে Demat Account খুলবো?

 

আগেই বলেছি Demat Account হলো যেটা শেয়ার বাজারের জন্যেই কেবলমাত্র ব্যবহার করা হয়। আপনার বিনিয়োগ উপযোগী মূলধন,.লাভ, লোকসান সব ঐ অ্যাকাউন্টে জমা হবে। আপনি শেয়ার কিনুন বা বিক্রি করুন, আপনাকে Demat Account থেকেই লেনদেন করতে হবে।

 

Demat Account কিভাবে খুলবেন?

দুটি পদ্ধতিতে Demat Account খোলা যায়।

১. ব্রোকারের মাধ্যমে

২. সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে

 

শেয়ার বাজারের ব্রোকারদের কাছে সব ধরণের তথ্য থাকে। বিশ্বস্ত এজেন্টের মাধ্যমে Demat Account খুলে আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। তারা আপনাকে সব ধরণের খবর আর আপডেট এনে দেবে। কোথায় বিনিয়োগ করলে লাভবান হবেন আর কোন শেয়ারের দাম বাড়ার সম্ভাবনা নেই সেই সবকিছু এজেন্টের মাধ্যমে জানতে পারবেন। তখন আপনি মোটামুটি একটা গাইডলাইন পেয়ে যাবেন। তবে এই কাজের জন্য তারা কিছু পারিশ্রমিক নিয়ে থাকে।

 

অন্যদিকে আপনি ব্যাংকের মাধ্যমে কাজ করলে আপনার অবশ্যই ঐ ব্যাংকে অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে। আর কিছুটা বেশি সময় লাগে Demat Account অ্যাকটিভ হয়ে কাজ শুরু করতে। তবে অবশ্যই আপনার মেইন অ্যাকাউন্টের সাথে সংযোগ করে রাখতে হবে।

 

এবার আরও কয়েকটি বেসিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।

১. Support Level

২. Resistance Level

৩. Share Market Down

 

 

Support Level আসলে কি?

 

শেয়ার বাজারে কোনো কোম্পানির শেয়ার এই মুহুর্তে কত কমতে পারে সেই ধারণাটাকেই বলে Support Level। এই ধারণা তৈরি হয় ক্রেতা আর তাদের বিনিয়োগের আগ্রহের উপর ভিত্তি করে। এই লেভেল একটি সীমারেখা যা সর্বনিম্ন এবং নির্দিষ্ট সময়ের জন্যেই বিবেচনা করা হয়। এটিসমগ্র কেনাকাটার উপর ভিত্তি করে আপ- ডাউন করে। সাপোর্ট লেভেলে স্টক মার্কেটে ক্রেতার পরিমাণ বিক্রেতার চেয়ে বেশি থাকে।

 

     

Resistance Level :

 

এবার আসি Resistance Level নিয়ে কথা বলবো। যেহেতু স্টক মার্কেটে দাম ওঠা- নামা করে তাই কতটুকু বাড়বে বা কমবে তার একটি সীমারেখা থাকা দরকার।এখন Resistance Level হলো উচ্চ সীমারেখা। ঐ পর্যন্ত দাম পৌছে গেলে বা তার কিছু বেশি হলে কোম্পানিগুলো শেয়ার বিক্রি করতে চায়। কারণ এরপর আর দাম বাড়বে না বরং কমতে থাকবে।

 

এই লেভেল মূলত টাকার অ্যাকশনের উপর নির্ভরশীল। সেইসাথে ট্রেন্ডলাইন, মুভিং এভারেজ, আইডেন্টিফাই ইত্যাদি টেকনিক্যাল বিষয়গুলো নিয়ন্ত্রণ করে। এই Resistance Level এ আসলে স্টক মার্কেটে বিক্রেতার সংখ্যা বেশি থাকে। তখন দাম অটোমেটিক কমে যায়। তাই যারা কম দামে শেয়ার কিনতে চান তারা এই সময়টাতে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করতে পারেন।

 

শেয়ার মর্কেট Down কেন হয়?

 

শেয়ার মার্কেট বিভিন্ন কারণে ডাউন হতে পারে।

১. কোনো কারণে আন্তর্জাতিক বাজারে শেয়ারের দাম কমে গেলে।

২. লসের কারণে স্টক মার্কেটে বিনিয়োগকারী এবং বিনিয়োগের হার কমে গেলে।

৩. Share কম দামে বাজারে ছাড়লে।

৪. বড় ধরণের Share ডিফোল্ট হলে বা নামিদামি বড় এক বা একাধিক কোম্পানি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেলে।

৫. বড় কোনো প্রাকৃতিক দূর্যোগের পর Share এর দাম কমে যায়।

 

Share Market: লক্ষণীয় বিষয়ঃ

শেয়ার মার্কেট আপ- ডাউন চলতেই থাকে। তাই যে বিষয়গুলো বেশি লক্ষণীয় তা হলো-

১. একসাথে পুরো মূলধন এক জায়গায় বিনিয়োগ করবেন না।

২. সবগুলো Share একই কোম্পানি হতে কিনবেন না।

৩. অল্প সময়ে share market এ  বেশি টাকা বিনিয়োগ করবেন না। দেখে দেখে সময় বুঝে বিনিয়োগ করবেন।

৪. ভিন্ন ভিন্ন কোম্পানির শেয়ার কিনবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই কোম্পানির ব্রাকগ্রাউন্ড দেখে নেবেন।

৫. চেনা শোনা কোম্পানি বা ব্র্যান্ডের শেয়ার কিনলে ঠকার সম্ভাবনা কম থাকে।

৬. অন্যের কথায় নয়। বরং নিজে বুঝে শুনে শেয়ার মার্কেটে বিনিয়োগ করুন।

 

 

এই ছিলো শেয়ার মার্কেট সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা সম্বলিত একটি পোস্ট। আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে। তবে আমি Highly Recommend করবো ইনটারনেটের পাশাপাশি এই Stock Market সম্পর্কে খুঁটিনাটি বোঝার জন্য পড়াশোনা করতে হবে। বাজারে  Share Market সংক্রান্ত অনেক ধরণের বই পাওয়া যায়। একদম বেসিক থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে জটিল বিষয়ের দিকে যাওয়াই ভালো। এতে আপনার জ্ঞান বাড়বে আর সেইসাথে Stock Market এর মতো জটিল বিষয়টিকেও সহজ মনে হবে।

 

এই ছিলো আজকের মতো। পোস্টটি ভালো লাগলে বা আপনাদের উপকারে লাগলে অবশ্যই কমেন্টে জানাবেন। ধন্যবাদ।

 

@বিডি বাংলার নিউজ